সৌদি আরবে ১০ লাখ টন সক্ষমতার সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের

There is evidence that the food industry designs ultra-processed foods to be highly rewarding, to maximize craveability and to make us want more and more and more

Share
Share

দীর্ঘমেয়াদে সারের সরবরাহ নিশ্চিত করতে ও একাধিক উৎসের ওপর আমদানিনির্ভরতা কমাতে সৌদি আরবে যৌথ উদ্যোগে বছরে ১০ লাখ টন ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি) সার উৎপাদন সক্ষমতার একটি কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা করছে সরকার।

পররাষ্ট্র ও শিল্প মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাব অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও সৌদি আরব সরকারের যৌথ মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির মাধ্যমে কারখানাটি পরিচালনা করা হবে। এতে দুই দেশের সরকারেরই ৫০ শতাংশ করে মালিকানা থাকবে।

এ কারখানায় উৎপাদিত সব সার ২০ থেকে ২৫ বছর ধরে কিনে নেওয়ার নিশ্চয়তা দেবে বাংলাদেশ। অন্যদিকে সৌদি আরব দেবে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ও গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের নিশ্চয়তা।

প্রকল্পটির মোট বিনিয়োগের ৩০ শতাংশ দুই দেশের সরকার সমানভাবে বহন করবে। বাকি ৭০ শতাংশ অর্থায়ন করা হবে সৌদি আরবের আর্থিক খাত থেকে ঋণ নিয়ে। ২০৩০ সালে কারখানাটির বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হতে পারে।

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌদি আরব সফরের সময়ে এ বিষয়ে নন-বাইন্ডিং সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান টেলিফোনে টিবিএসকে বলেন, পরিকল্পনাটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।

সচিব আরও বলেন, ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) এ বিষয়ে কাজ করছে।’ তিনি এর বেশি কিছু বলতে চাননি।

প্রকল্পটির কারিগরি ও বাণিজ্যিক সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি টেকনো-ইকোনমিক স্টাডি করার প্রস্তাবও রয়েছে। তবে প্রস্তাবিত এমওইউ হবে নন-বাইন্ডিং, অর্থাৎ এটি সইয়ের মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নে কোনো দেশের ওপরই বাধ্যবাধকতা তৈরি হবে না।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চেয়ে বুধবার ঢাকার সৌদি আরব দূতাবাসে ই-মেইল পাঠিয়েছিল টিবিএস। তবে প্রতিবেদনটি প্রকাশের আগপর্যন্ত কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

আমদানিনির্ভরতা হ্রাস ও সরবরাহ নিশ্চিতকরণ

দেশে ডিএপি সার উৎপাদনের একমাত্র কারখানাটি জাতীয় চাহিদার তুলনায় খুব কম সার উৎপাদন করে।

কাঁচামালের সংকটে অনেক সময় কারখানাটির উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধও থাকে। ফলে দেশের চাহিদার বড় অংশই আমদানি করে মেটাতে হয়, যার উল্লেখযোগ্য অংশ আসে সৌদি আরব থেকে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম না প্রকাশের শর্তে টিবিএসকে বলেন, ‘সৌদি আরবে যৌথ উদ্যোগে কারখানা স্থাপন করা গেলে বাংলাদেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদে ডিএপি সারের সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। একইসঙ্গে বর্তমান আমদানি মূল্যের তুলনায় সাশ্রয়ী মূল্যে সার পাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।’

কৃষি মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, দেশে বছরে মাঠপর্যায়ে ১৪ থেকে ১৫ লাখ টন ডিএপি সারের চাহিদা রয়েছে।

এর বাইরে নিরাপত্তা মজুত হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) কাছে ৫ লাখ টন সার রাখতে হয়। সব মিলিয়ে বার্ষিক প্রয়োজন ১৯ থেকে ২০ লাখ টন।

এই চাহিদার বিপরীতে বেসরকারি খাতে প্রায় ৫ লাখ টন সার আমদানি হয়। বিসিআইসির উৎপাদনও চাহিদার তুলনায় সীমিত। বাকি সার সরকারি পর্যায়ে (জিটুজি) চুক্তি ও উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে আমদানি করে বিএডিসি।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রাক্কলন অনুযায়ী, আগামী বছরগুলোতে বিএডিসিকে বছরে ৯.৪০ লাখ থেকে ১০ লাখ টন ডিএপি সার আমদানি করতে হতে পারে।

সৌদি আরবে প্রস্তাবিত কারখানাটির উৎপাদন সক্ষমতা এই পরিমাণের কাছাকাছি হওয়ায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে আমদানির একটি বড় অংশ দীর্ঘমেয়াদে নিশ্চিত উৎস থেকে সংগ্রহ করা সম্ভব হবে।

কৃষি মন্ত্রণালয় তাদের মতামতে জানিয়েছে, সৌদি আরবে কারখানাটি স্থাপন করা হলে সেখান থেকে উৎপাদিত ডিএপি সার কেনার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের ‘বাই-ব্যাক গ্যারান্টি’ দেওয়া যেতে পারে।

মালিকানা ও অর্থায়নের প্রস্তাব

প্রস্তাব অনুযায়ী, কারখানাটি পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের যৌথ মালিকানায় একটি সৌদি-ভিত্তিক কোম্পানি গঠন করা হবে। কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদে দুই দেশের সমানসংখ্যক প্রতিনিধি থাকবেন।

বাংলাদেশের পক্ষে মালিকানায় অংশ নেবে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বিসিআইসি, যার অধীনে বর্তমানে দেশে আটটি সরকারি সার কারখানা রয়েছে।

কারখানাটির নির্মাণ ব্যয় এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। কারিগরি ও আর্থিক সম্ভাব্যতা সমীক্ষার মাধ্যমে প্রকল্পের মোট ব্যয়, অর্থায়নের ধরন ও অন্যান্য বাণিজ্যিক শর্ত চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে।

আলোচনার ভিত্তিতে বাংলাদেশের বাই-ব্যাক গ্যারান্টির মেয়াদ ২০-২৫ বছর নির্ধারণ করা হতে পারে। দীর্ঘ মেয়াদে নিশ্চিত ক্রেতা থাকায় প্রকল্পটিতে সৌদি আরবের বিনিয়োগের আগ্রহ তৈরির সুযোগ রয়েছে। তবে সমীক্ষার মাধ্যমে প্রকল্পটির আর্থিক কার্যকারিতা ও উৎপাদন ব্যয় নির্ধারণ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর সফরে সমঝোতা স্মারক সইয়ের প্রস্তুতি

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পশ্চিম এশিয়া অনুবিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নভেম্বরের দ্বিতীয়ার্ধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌদি আরব সফর হতে পারে। তবে সফরের নির্দিষ্ট তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারকের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে একটি কনসেপ্ট নোট তৈরি করেছে এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের মতামত নিয়েছে। পাশাপাশি পাশাপাশি কৃষি মন্ত্রণালয়ের কাছে ভবিষ্যৎ ডিএপি সারের চাহিদা, আমদানির প্রাক্কলন ও উৎপাদিত সার কেনার নিশ্চয়তা দেওয়ার বিষয়ে মতামত চাওয়া হয়েছে।

সমঝোতা স্মারক সইয়ের পর দুই দেশ প্রকল্পটির কারিগরি ও বাণিজ্যিক সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্যোগ নেবে। এসব প্রক্রিয়া শেষে উভয় দেশ প্রকল্পটি এগিয়ে নিতে একমত হলে বিনিয়োগ, অর্থায়ন, কাঁচামাল সরবরাহ ও সার কেনার শর্ত চূড়ান্ত করে চুক্তি হবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা জানান, প্রস্তাবটি সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গেও সংগতিপূর্ণ। এই রূপকল্পের অন্যতম লক্ষ্য হলো তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বহুমুখী করা।

সৌদি আরবের সঙ্গে দীর্ঘদিনের ডিএপি আমদানি চুক্তি

কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ অর্থবছর থেকে সৌদি আরবের সঙ্গে জিটুজি চুক্তির আওতায় ডিএপি সার আমদানি করছে বাংলাদেশ।

সর্বশেষ ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুই বছরের জন্য এ চুক্তি করা হয়। চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি বছর ১৫ লট সার নেওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে ১১টি নিশ্চিত লট ও চারটি ঐচ্ছিক লট। নিশ্চিত লটের ভিত্তিতে প্রতি বছর সৌদি আরব থেকে কমপক্ষে ৪.৪০ লাখ টন ডিএপি সার আমদানির বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

বাংলাদেশের ডিএপি সার আমদানির পরিমাণও বাড়ছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১২.৭২ লাখ টন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১৩.৯৯ লাখ টন ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ১৬.২০ লাখ টন ডিএপি সার আমদানি করা হয়েছে।

সৌদি আরবে কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে আমদানির এই বড় বাজারের একটি অংশ যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পূরণ করা যাবে। তবে বিদ্যমান জিটুজি চুক্তি, ভবিষ্যৎ চাহিদা ও নতুন কারখানার উৎপাদন সক্ষমতার মধ্যে কীভাবে সমন্বয় করা হবে, তা প্রকল্পের চূড়ান্ত পরিকল্পনায় নির্ধারণ করতে হবে।

আমদানি ব্যয় ও ভর্তুকির চাপ

বর্তমানে দেশে গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি কেজি ডিএপি সারের দাম ২১ টাকা নির্ধারিত রয়েছে। আমদানিমূল্য ও বিক্রয়মূল্যের ব্যবধানের কারণে সরকারকে এ সারে ভর্তুকি দিতে হয়।

গত ১৩ অক্টোবর সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি সৌদি আরব থেকে জিটুজি চুক্তির আওতায় ৪০ হাজার টন ডিএপি সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করে। প্রতি টন সারের ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৮৬১.৫০ মার্কিন ডলার। প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে প্রতি কেজি সারের আমদানিমূল্য দাঁড়ায় প্রায় ১০৬ টাকা। এরপর পরিবহন, হ্যান্ডলিং ও অন্যান্য ব্যয় যুক্ত হলে চূড়ান্ত ব্যয় আরও বাড়তে পারে।

এই প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবে যৌথ উদ্যোগে কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে সার সংগ্রহের সম্ভাবনা যাচাই করতে চায় সরকার। তবে নতুন কারখানায় উৎপাদিত সারের প্রকৃত ব্যয়, ঋণের সুদ, কাঁচামালের মূল্য, পরিবহন ব্যয় ও দীর্ঘমেয়াদি ক্রয় নিশ্চয়তার আর্থিক প্রভাব নিরূপণ না করে প্রকল্পটি বর্তমান আমদানির তুলনায় কতটা সাশ্রয়ী হবে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

দেশের একমাত্র কারখানায় উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় ৬৬ একর জমিতে ২০০৬ সালে ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) স্থাপন করা হয়। দেশের একমাত্র ডিএপি সার উৎপাদনকারী এই কারখানার বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা ৫.২৮ লাখ টন।

তবে কাঁচামালের ঘাটতির কারণে কারখানাটি পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারে না। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কারখানাটি থেকে ১ লাখ টন সার উৎপাদনের কথা ছিল। কিন্তু প্রকৃত উৎপাদন হয়েছে মাত্র ৪০ হাজার টন।

চলতি অর্থবছরে কারখানাটি থেকে এখন পর্যন্ত কোনো উৎপাদন হয়নি। গত ২৮ জুন থেকে প্রধান কাঁচামাল ফসফরিক অ্যাসিডের ঘাটতির কারণে কারখানাটি বন্ধ রয়েছে।

প্রস্তাবিত সৌদি কারখানায় এ ধরনের উৎপাদন বিঘ্ন এড়াতে কাঁচামালের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করাকে অপরিহার্য বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা।

বিদেশে সম্ভাব্য প্রথম শিল্প বিনিয়োগ

বাংলাদেশ ব্যাংকের সূত্রমতে, দেশের বাইরে কোনো শিল্পকারখানায় সরকারের সরাসরি বিনিয়োগের নজির নেই। সৌদি আরবে প্রস্তাবিত কারখানায় বিনিয়োগ করা হলে তা হবে এ ধরনের প্রথম উদ্যোগ।

বাংলাদেশ থেকে বিদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতিমালা অনুসরণ করতে হয়। নীতিমালা অনুযায়ী, ১০ হাজার ডলারের বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন প্রয়োজন।

ফলে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের আগে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা, সরকারি বিনিয়োগের অনুমোদন, ঋণের দায়, সম্ভাব্য মুনাফা ও লোকসানের ঝুঁকি এবং দীর্ঘমেয়াদি সার কেনার গ্যারান্টির আর্থিক প্রভাবও বিবেচনায় নিতে হবে।

সম্ভাব্যতা সমীক্ষার ফল এবং দুই দেশের আলোচনার ভিত্তিতেই শেষ পর্যন্ত প্রকল্পটির বিনিয়োগ কাঠামো ও বাস্তবায়নপদ্ধতি নির্ধারিত হবে।

Share
Related Articles

পুঁজিবাজারে অর্থের নতুন উৎস তৈরিতে বন্ডে জোর

পুঁজিবাজারে দীর্ঘমেয়াদি অর্থের নতুন উৎস তৈরি এবং বিনিয়োগের বিকল্প সুযোগ বাড়াতে করপোরেট...

বাংলাদেশ-জাপানের অর্থমন্ত্রীর বৈঠক : দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ

বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে জাপানের অর্থমন্ত্রী সাতসুকি কাতায়ামা এবং...

এলডিসি উত্তরণে আরও তিন বছর সময় পেল বাংলাদেশ

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতির জন্য বাংলাদেশকে আরও তিন বছর...

ডিআইইউতে স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবীদের জন্য এআই বিষয়ক সেমিনার ও সনদ প্রদান সম্পন্ন

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) আজ (শনিবার) সাভারের বিরুলিয়ায় অবস্থিত ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটিতে...